বিজ্ঞানীরা জানাচ্ছেন, গলদ ওইখানেই। জলের মধ্যে ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়ার পাশাপাশি  থাকে উপকারী ব্যাকটেরিয়াও। অতিরিক্ত মাত্রায় পরিশ্রুত হওয়ার ফলে জলের মধ্যে থাকা সেই ‘বন্ধু’ ব্যাকটেরিয়াগুলো মরে যায়। আর সমস্যার সূত্রপাত সেখানেই। পিউরিফায়েড হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে জলের মধ্যে থাকা সমস্ত ব্যাকটেরিয়াই মরে যায়। অন্য দিকে, শ্বাসকষ্ট প্রতিরোধক গাট ব্যাকটেরিয়ার মানুষের দেহে প্রবেশের অন্যতম মাধ্যম পানীয় জল। কিন্তু পানীয় জল সম্পূর্ণ ব্যাকটেরিয়ামুক্ত হওয়ায় এই ব্যাকটেরিয়ার দেহে প্রবেশের সম্ভাবনা অনেকটাই হ্রাস পায়।গবেষণা দলের অন্যতম বিশেষজ্ঞ ব্রেট ফিনলে জানালেন, ‘‘আগে আমরা মনে করতাম পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন থাকা ভাল। কিন্তু এখন দেখা যাচ্ছে কিছুটা নোংরারও প্রয়োজন আছে। এটা আশ্চর্যজনক হলেও সত্যি।’’শুধু তাই নয়, এই গবেষণায় চারটি গাট ব্যাকটেরিয়াও শনাক্ত করেছেন বিজ্ঞানীরা। দেখা গিয়েছে এই চারটি উপকারী গাট ব্যাকটেরিয়া শিশুর জন্মের ১০০ দিনের মধ্যে শরীরে প্রবেশ করলে পরবর্তীতে শ্বাসকষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা অনেকটাই হ্রাস পায়।