১। কুসুম গরম পানিতে পা ডুবিয়ে রাখুন

একটি পাত্রে কুসুম গরম পানিতে হালকা লিকুয়িড সোপ মিশিয়ে নিন। এরসাথে এক মুঠো লবণ মেশান। এই মিশ্রণে পা দুটি ভিজিয়ে রাখুন ২০ মিনিট।  এরপর একটি পা ঘষার পাথর দিয়ে পায়ের তালু ঘষে মৃত চামড়া তুলে ফেলুন। এরপর ফুট ক্রিম বা অলিভ অয়েল বা গ্লিসারিন লাগান। এটি সপ্তাহে একবার ব্যবহার করুন।

২। তেল ম্যাসাজ

যে কোনো তেল পায়ে ম্যাসাজ করতে পারেন। তেল কুসুম গরম করে নিন। এরপর এটি পায়ের তালু ,গোড়ালিতে ম্যাসা করুন । নারকেল তেল, অলিভ অয়েল অথবা বাদাম তেল একসাথে মিশিয়ে ১০-১৫ মিনিট ম্যাসাজ করুন। এরপর মোজা পরে ঘুমাতে যান। এটি শীতকালে সব সময় করুন। গরম কালে মোজা এড়িয়ে যান।

৩। ব্রাউন সুগার স্ক্রাব

দুই টেবিল চামচ ব্রাউন সুগার, এক টেবিল চামচ মধু, এক টেবিল চামচ অলিভ অয়েল এবং আধা চা চামচ লেবুর রস একসাথে মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করুন। কুসুম গরম পানিতে পা দুটি ভিজিয়ে রাখুন ১০ মিনিট। তারপর এটি পায়ে ব্যবহার করুন। এরপর কুসুম গরম পানিতে পা ধুয়ে ফেলুন। এটি সপ্তাহে একবার ব্যবহার করুন।

৪। গ্লিসারিন

সমপরিমাণ গ্লিসারিন এবং গোলাপ জল একসাথে মিশিয়ে নিব। এটি পায়ের হিলে ম্যাসাজ করে লাগান। প্রতিদিন রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে এটি করুন। পরের দিন সকালে কুসুম গরম পানি দিয়ে পা ধুয়ে ফেলুন।

৫। ফ্রুট প্যাক

পাকা কলা অথবা আভাকাডো পায়ের হিলে ম্যাসাজ লাগান। তারপর ১০ মিনিট অপেক্ষা করুন। এরপর কুসুম গরম পানি দিয়ে পা ধুয়ে ফেলুন। এছাড়া সমপরিমাণ কলা এবং আভাকাডোর সাথে নারকেল তেল এবং মধু মিশিয়ে প্যাক তৈরি করুন।  এটি পায়ে ১০-১৫ মিনিট লাগিয়ে রাখুন। এরপর কুসুম গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এটি সপ্তাহে একবার ব্যবহার করতে পারেন।

৬। ক্যাস্টর অয়েল

পা ফাটা স্থানে কিছু পরিমাণ ক্যাস্টর অয়েল ম্যাসাজ করা লাগান। সারারাত মোজা পরে থাকুন। পরের দিন সকালে কুসুম গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। ক্যাস্টর অয়েলের সাথে নারকেল তেল মিশিয়ে সেটি পায়ে ম্যাসাজ করতে পারেন। ২০-৩০ মিনিট পর কুসুম গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

৭। ভিটামিন ই এবং ভিটামিন সি

ঘুমাতে যাওয়ার আগে পায়ে ভিটামিন ই অয়েল ম্যাসাজ করতে পারেন। এছাড়া খাদ্য তালিকায় ভিটামিন সি এবং ভিটামিন ই সমৃদ্ধ খাবার খাওয়ার চেষ্টা করুন। যেমন কমলা, লেবু, স্ট্রবেরি, ওমেগা থ্রি ফ্যাট ফিশ খাদ্য তালিকায় রাখুন। এছাড়া প্রচুর পানি পান করুন। পানি শূন্যতার কারণে পা ফাটা, রুক্ষ, শুষ্ক হয়ে যায়।