শুধু এখানেই দূষিত বায়ুর ক্ষতির মাত্রা সীমাবদ্ধ নয়। গর্ভবতী মায়েরা দূষিত বাতাসে শ্বাস নেবার কারণে তাদের শিশু প্রিম্যাচিওর হতে পারে। অনেকে আবার অ্যাজমার মতো সমস্যা নিয়ে বেড়ে ওঠে। তাদের বেড়ে ওঠার প্রক্রিয়া ধীর করে দিতেও পারে এই দূষণ। স্যানিটেশন এবং পানি দূষণও পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশুদের মৃত্যুর জন্য দায়ী। প্রতি বছর বিশ্বব্যাপী ৩ লক্ষ ৬১ হাজার শিশু ডায়ারিয়ায় মারা যায়। আশংকার ব্যাপার হলো, সাম্প্রতিক সময়ে প্রযুক্তির উন্নয়নের সাথে সাথে দূষণের মাত্রাটাও বাড়ছে। ইলেকট্রনিক বর্জ্য, যেমন সঠিকভাবে রিসাইকেল না করা কম্পিউটার এবং মোবাইল স্বাস্থ্য ঝুঁকি তৈরি করে। প্রতিবছর ১৮-৪৫ মিলিয়ন টন বর্জ্য তৈরি হয় সারা বিশ্বে, এর বেশীরভাগই চলে যায় পূর্ব এশিয়ার উন্নয়নশীল দেশগুলোতে। সেখানে কিছুটা রিসাইকেল করা হয় এগুলোকে। অনেক সময়ে পুড়িয়ে বা এসিডে ডুবিয়ে তা করা হয়, যাতে দামী অংশগুলো নিয়ে নেওয়া যায়। কিন্তু এই প্রক্রিয়ায় ক্ষতিকর ধোঁয়া নির্গত হয়। এতে থাকে প্রচুর টক্সিক এবং হেভি মেটাল। ক্যান্সার, কার্ডিওভাস্কুলার রোগ এমনকি অনেক সময়ে শিশুদের বুদ্ধিমত্তা কমিয়ে দেওয়ার জন্য দায়ী এই ধোঁয়া।WHO কিছু কাজের একটি তালিকা প্রকাশ করেছে, যে কাজগুলো করলে সরকার তাদের দেশের শিশুদের স্বাস্থ্যের উন্নতি করতে পারবে। এর মাঝে স্কুলে নিরাপদ পানি সরবরাহ থেকে শুরু করে শহরে পার্ক নির্মাণ পর্যন্ত বিভিন্ন পরামর্শ আছে।